বর্তমানে তারাবীহ নামায ৮ রাকাত নয়: আল্লামা ইবনে তাইমিয়া রহ.।

আমি গত ২০/০৩/২০২৩ ইং তারিখে একটি স্যোশাল মিডিয়াতে ৮ ও ২০ রাকাত তারাবীহ নামায নিয়ে আল্লামা আহমাদ ইবনে তাইমিয়া রহ. এর একটি উদ্ধৃতি দেখতে পাই।

فإنه ‌قد ‌ثبت ‌أن ‌أبي ‌بن ‌كعب ‌كان يقوم بالناس عشرين ركعة في قيام رمضان ويوتر بثلاث. فرأى كثير من العلماء أن ذلك هو السنة؛ لأنه أقامه بين المهاجرين والأنصار ولم ينكره منكر

যেখানে লেখা ছিল ইবনে তাইমিয়া রহ. ২০ রাকাত তারাবীহ নামাযের প্রবক্তা। বিষয়টি আমাকে বেশ কৌতুহলে ফেলে দেয়। বলে কি! আহলে হাদীস ভাইয়েরা যার অনুকরণ করেন তিনিই কিনা ২০ রাকাত তারাবীহর প্রবক্তা। সেটা কীভাবে হতে পারে!?

যেহেতু পিসিতে বসে ছিলাম। তাই সেই উদ্ধৃতিটি কপি করে “আল মাকতাবাতুশ শামেলার” সার্চ অপশনে পেষ্ট করে দিই। অম্নি চকচকে ইবারত সামনে চলে আসে। দেখলাম_

রমযান মাসে কিয়ামের পরিমাণ

তিনি “রমযান মাসে কিয়ামের (কিয়ামুল লাইল বা তারাবীহ নামাযের) পরিমাণ নিয়ে উলামায়ে কেরামের মতবিরোধ” শিরোনামে তার সুপ্রসিদ্ধ রচনা “মাজমূউল ফাতাওয়াতে” বেশ আলোচনা করেছেন। আমার দেখা উদ্ধৃতিটি ছিল এই শিরোনামেরই একটি অংশ।

পড়তে শুরু করলাম। যতই সামনে এগিয়ে গেলাম ততই আশ্চর্য হলাম। যখন পুরো আলোচনাটি পড়ে শেষ করলাম। ভাবলাম চেপে রাখা এই সত্য সবার জানা উচিৎ। বিশেষ করে সহজ-সরল আহলে হাদীস ভাইদের জানা উচিৎ। তাই আল্লামা ইবনে তাইমিয়া রহ. এর কথাগুলো আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় তুলে ধরলাম।

আমি আহমাদ ইবনে তাইমিয়া বলছি

فإنه ‌قد ‌ثبت ‌أن ‌أبي ‌بن ‌كعب ‌كان يقوم بالناس عشرين ركعة في قيام رمضان ويوتر بثلاث. فرأى كثير من العلماء أن ذلك هو السنة؛ لأنه أقامه بين المهاجرين والأنصار ولم ينكره منكر

واستحب آخرون: تسعة وثلاثين ركعة؛ بناء على أنه عمل أهل المدينة القديم

وقال طائفة : قد ثبت في الصحيح عن عائشة {أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يكن يزيد في رمضان ولا غيره على ثلاث عشرة ركعة} 

واضطرب قوم في هذا الأصل لما ظنوه من معارضة الحديث الصحيح لما ثبت من سنة الخلفاء الراشدين وعمل المسلمين

এই কথা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, রমযান মাসে হযরত উবাই ইবনে কা’ব রা. সাহাবায়ে কেরামদেরকে নিয়ে ২০ রাকাত “কিয়ামুল লাইল বা তারাবীহ নামায” ও ৩ রাকাত বিতর নামায আদায় করতেন।

পরবর্তীতে অনেক উলামায়ে কেরাম “এই ২৩ রাকাতকে “সুন্নাত” হিসেবে “রায়” দিয়েছেন। কেননা হযরত উবাই ইবনে কা’ব রা. “এই ২৩ রাকাত নামায” মুহাজির ও আনসার সাহাবায়ে কেরামের উপস্থিতিতেই আদায় করেছেন। অথচ কেউই তার বিরোধিতা করেননি।  

আবার অন্যান্যরা ৩৯ রাকাত নামাযকে উত্তম বলেছেন। কেননা এটা প্রাচীন মদীনাবাসীর আমল ছিল। 

আরেকটি দল বলেন: নিশ্চয়ই সহীহ বুখারীতে আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রা. থেকে প্রমাণিত আছে যে, নবী কারীম সা. রামযান মাস ও অন্য সময়ে ১৩ রাকাতের বেশী নামায আদায় করতেন না। 

ফলে উম্মাহ এই বিষয়টি নিয়ে সংশয় ও দোদুল্য অবস্থায় পড়ে গিয়েছে। কেননা তারা ধারণা করেছে যে, সহীহ হাদীস এবং খুলাফায়ে রাশেদীন ও সকল মুসলিমদের আমল মুখোমুখি হয়ে গিয়েছে। (বস্তুত তা নয়)।

এখন প্রশ্ন হলো, উপরোক্ত ৩টি মতামতের কোনটি উত্তম?

والصواب أن ذلك جميعه حسن كما قد نص على ذلك الإمام أحمد رضي الله عنه وأنه لا يتوقت في قيام رمضان عدد فإن النبي صلى الله عليه وسلم لم يوقت فيها عددا

وحينئذ فيكون تكثير الركعات وتقليلها بحسب طول القيام وقصره. فإن النبي صلى الله عليه وسلم كان يطيل القيام بالليل حتى إنه قد ثبت عنه في الصحيح من حديث حذيفة {أنه كان يقرأ في الركعة بالبقرة والنساء وآل عمران فكان طول القيام يغني عن تكثير الركعات} 

বিশুদ্ধতম কথা হলো- এই সবগুলো আমলই উত্তম। যেমনটা ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহ. স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন যে রমযান মাসে “কিয়ামুল লাইল বা তারবীহ নামাযের” জন্য কোন সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয় নাই। কারণ, নবী কারীম সা. এই বিষয়ে কোন সংখ্যা নির্ধারণ করেননি। 

আর যেহেতু বিষয়টি এমন তাই (রমযান মাসে কিয়ামুল লাইল বা তারাবীহ নামাযে) রাকাত-সংখ্যার আধিক্য কিংবা স্বল্পতা নির্ধারিত হতে হবে নামাযের দৈর্ঘ ও সংক্ষিপ্ততার উপর ভিত্তি করে। কেননা নবী কারীম সা. রাতের নামাযে “ক্বিয়ামকে” দীর্ঘ করতেন। আর এই বিষয়ে সহীহ বুখারীতে হযরত হুযাইফা রা. থেকে প্রমাণিত আছে যে, নিশ্চয়ই রাসূল সা. এক রাকাতে সূরা বাকারা, সূরা নিসা এবং সূরা আল ইমরান তেলাওয়াত করতেন। ফলে এই দীর্ঘ ক্বিয়াম রাকাত-সংখ্যার আধিক্যকে অপ্রয়োজনীয় করে দিয়েছে। 

দীর্ঘ ক্বিয়ামের বিপরীতে অধিক রাকাত-সংখ্যাকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ।

وأبي بن كعب لما قام بهم وهم جماعة واحدة لم يمكن أن يطيل بهم القيام فكثر الركعات ليكون ذلك عوضا عن طول القيام وجعلوا ذلك ضعف عدد ركعاته فإنه كان يقوم بالليل إحدى عشرة ركعة أو ثلاث عشرة

ثم بعد ذلك كان الناس بالمدينة ضعفوا عن طول القيام فكثروا الركعات حتى بلغت تسعا وثلاثين

আর যখন হযরত উবাই ইবনে কা’ব রাযি. সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে (২৩ রাকাত) নামায আদায় করেছিলেন তখন তার সাথে এমন একটি জামাত ছিল যাদেরকে নিয়ে দীর্ঘ কিয়াম করা সম্ভব নয়। ফলে তিনি রাকাতের সংখ্যা বৃদ্ধি করে দিয়েছেন। যাতে রাকাত-সংখ্যাগুলো দীর্ঘ কিয়ামের বিপরীতে বিনিময়/ক্ষতিপূরণ হয়ে যায়। আর সাহাবায়ে কেরাম সেই ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করেছেন “দ্বিগুন রাকাত-সংখ্যা” দিয়ে। কেননা নবী কারীম সা. ১১ রাকাত কিংবা ১৩ রাকাত নামায আদায় করতেন।

অতঃপর মদীনার অধিবাসীরা দীর্ঘ সময় ক্বিয়াম করতে অক্ষম হয়ে পড়েন এবং রাকাত সংখ্যা বৃদ্ধি করতে শুরু করেন এমনকি তা ৩৯ রাকাত পর্যন্ত গিয়ে পৌছে। 

দীর্ঘ কিয়ামের বিপরীতে অধিক রাকাত-সংখ্যাকে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের পূর্ব-উদাহরণ।

ومما يناسب هذا أن الله تعالى لما فرض الصلوات الخمس بمكة: فرضها ركعتين ركعتين ثم أقرت في السفر وزيد في صلاة الحضر كما ثبت ذلك في الصحيح عن عائشة رضي الله عنها أنها قالت: {لما هاجر إلى المدينة زيد في صلاة الحضر وجعلت صلاة المغرب ثلاثا؛ لأنها وتر النهار وأما صلاة الفجر فأقرت ركعتين؛ لأجل تطويل القراءة فيها فأغنى ذلك عن تكثير الركعات}

হ্যা, দীর্ঘ কিয়ামের বিপরীতে রাকাত সংখ্যাকে বিনিময় বা ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো_ যখন আল্লাহ তায়ালা মক্কাতে “পাঁচ ওয়াক্ত নামায” ফরয করেছিলেন তখন তিনি ২ রাকাত ২ রাকাত করে ফরয করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে মুসাফির ব্যক্তির জন্য সেই নামায হ্রাস করা হলো এবং মুক্বীমের জন্য বৃদ্ধি করা হলো।

যেমনটা সহীহ বুখারীতে আম্মাজান হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাযি. হতে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন_ যখন রাসূল সা. মদীনায় হিজরত করলেন তখন মুক্বীমের নামায বাড়িয়ে দেয়া হলো এবং মাগরিবের নামাযকে ৩ রাকাত নির্ধারণ করা হলো। কেননা মাগরিবের নামায হলো দিনের বেজোড়। অপরদিকে দীর্ঘ ক্বেরাতের (ক্বিয়ামের) কারণে ফজরের নামাযে ২ রাকাত হ্রাস করা হলো। ফলে ফজরের নামাযে রাকাত-সংখ্যার আধিক্য ছেড়ে দেয়া হয়েছে। (অর্থাৎ ৪ রাকাতের আধিক্য বর্জন করে ২ রাকাত নির্ধারণ করা হয়েছে)

উপরোক্ত আমল ২টির মধ্য হতে কোনটি উত্তম।

وقد تنازع العلماء: أيما أفضل: إطالة القيام؟ أم تكثير الركوع والسجود؟ أم هما سواء؟ على ثلاثة أقوال: وهي ثلاث روايات عن أحمد. وقد ثبت عنه في الصحيح

{أي الصلاة أفضل؟ قال: طول القنوت} 

وثبت عنه أنه قال: {إنك لن تسجد لله سجدة إلا رفعك الله بها درجة وحط عنك بها خطيئة}

{وقال لربيعة بن كعب: أعني على نفسك بكثرة السجود}

ومعلوم أن السجود في نفسه أفضل من القيام ولكن ذكر القيام أفضل وهو القراءة

বস্তুত উলামায়ে কেরাম এই বিষয়ে বিবাদে জড়িয়েছেন যে, উপরোক্ত আমল ২টির মধ্য হতে কোনটি উত্তম।

  • ১. দীর্ঘ ক্বিয়াম করা
  • ২. নাকি অধিক রুকু-সিজদা করা 
  • ৩. নাকি উভয়টি একই পর্যায়ের।

এই প্রশ্নের উত্তরে তিনটি মতামত রয়েছে। যা মূলত ইমাম আহমাদ রহ. এর ৩টি রেওয়ায়েত বা বর্ণনা।  

এক) ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ. থেকে সহীহ বুখারীতে প্রমাণিত আছে যে, (রাসূল সা.কে জিজ্ঞেস করা হলো) কোন নামায উত্তম? তিনি উত্তরে বললেন দীর্ঘ ক্বিয়াম (অর্থাৎ যেই নামাযে দীর্ঘ ক্বিয়াম করা হয়)।

দুই) ইমাম আহমাদ রহ. থেকে এটাও বর্ণিত আছে যে, রাসূল সা. বলেন_ আল্লাহ তায়ালাকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে তোমার দেওয়া প্রতিটি সিজদার কারণে আল্লাহ তায়ালা তোমার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তোমার একটি পাপ মোচন করে দেন। 

তিন) রাসূল সা. রবীয়া ইবনে কা’ব রাযি. কে বললেন “তুমি অধিক সিজদার মাধ্যমে নিজেকে (পরকালের ব্যাপারে) সহোযোগিতা করো। 

এই বর্ণনাগুলো থেকে জানা গেল যে, সিজদা সত্ত্বাগত দিক থেকে ক্বিয়ামের তুলনায়  অধিক উত্তম। কিন্তু “ক্বিয়ামের যিকির” অধিক উত্তম। আর সেটা হলো ক্বিরাআত। 

وتحقيق الأمر أن الأفضل في الصلاة أن تكون معتدلة. فإذا أطال القيام يطيل الركوع والسجود كما كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي بالليل كما رواه حذيفة وغيره وهكذا كانت صلاته الفريضة وصلاة الكسوف وغيرهما: كانت صلاته معتدلة

আর প্রমাণিত বিষয় হলো-  নামাযের (রোকনগুলোর) মধ্যে “সমতা বিধান করা” অধিক উত্তম। সুতরাং যখন ক্বিয়ামকে দীর্ঘ করবে তখন রুকু এবং সিজদাকেও দীর্ঘ করবে যেমনটা নবী কারীম সা. রাতের নামাযগুলোতে করতেন। হযরত হুযাইফা রাযি. ও অন্যান্যরা এমনটিই বর্ণনা করেছেন। ফরয নামায, সূর্য গ্রহণের নামায ও অন্য সকল নামাযের ক্ষেত্রেও একই কথা “রাসূল সা. এর নামায (রোকন আদায়ের ক্ষেত্রে) “মু’তাদিলা বা সমতা বিধায়ক” ছিল। 

আমার উপরোক্ত পর্যালোচনার সার-সংক্ষেপ বা ফলাফল

فإن فضل مفضل إطالة القيام والركوع والسجود مع تقليل الركعات وتخفيف القيام والركوع والسجود مع تكثير الركعات: فهذان متقاربان. وقد يكون هذا أفضل في حال كما أنه لما صلى الضحى يوم الفتح صلى ثماني ركعات يخففهن ولم يقتصر على ركعتين طويلتين

وكما فعل الصحابة في قيام رمضان لما شق على المأمومين إطالة القيام

সুতরাং স্বল্প রাকাত-সংখ্যার সাথে দীর্ঘ ক্বিয়াম, রুকু, ও সিজদা করা কিংবা অধিক রাকাত-সংখ্যার সাথে স্বল্প সময়ের ক্বিয়াম, রুকু, ও সিজদা করা- মূলত একই বিষয়। বরং কখনো কখনো অধিক রাকাত-সংখ্যার সাথে স্বল্প সময়ের ক্বিয়াম, রুকু ও সিজদা আদায় করাই অধিক উত্তম। কারণ, যখন রাসূলে কারীম সা. মক্কা বিজয়ের দিন নামায আদায় করলেন তখন তিনি ৮ রাকাত নামায আদায় করলেন এবং রাকাতগুলো ছোট ছোট করলেন। কিন্তু তিনি দীর্ঘ ২ রাকাতে (নামায) সংক্ষেপ করেননি।

ঠিক একইভাবে সাহাবায়ে কেরাম রমযান মাসের “ক্বিয়ামুল লাইল বা তারাবীহ নামাযকে” অধিক রাকাত-সংখ্যায় রূপান্তরিত করেছেন। যখন তারা দেখেছেন যে, দীর্ঘ ক্বিয়াম করা মুমিন-মুসলিমদের জন্য কষ্টকর হয়ে গিয়েছে। 

আলোচনাটি এখানেই শেষ হয়েছে। 

والله أعلم بالصواب

Related Articles

রোযা অবস্থায় রক্ত দেয়ার হুকুম কি? এতে কি রোযা ভেঙ্গে যায়?

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته মাননীয় মুফতী সাহেব প্রশ্ন: সামনে রমযান মাস। আমার কোন একজন আত্মীয়ের জন্য রক্ত দিতে হতে পারে। তাই আমার প্রশ্ন হলো-…

পূর্ববর্তী ইমামগণের মতভিন্নতায় বিভেদ ছিল, বিচ্ছিন্নতা নয়!

সুপ্রিয় পাঠক! সামান্য মত পার্থর্ক্যরে জের ধরে সাধারণ সমাজের কথা বলা তো বাহুল্যই, আমাদের ওলামা কেরামের মাঝেও যে কী ধরনের গিবত-পরনিন্দা, বকাবাজি আর গালবাজি দেখা…

ফার্সি ক্রিয়াপদ বা صيغه গঠন পদ্ধতি। এক পেজেই শুরু থেকে শেষ।

বিষয়ঃ فعل ماضي বা অতীত কাল প্রশ্নঃ فعل ماضي বা অতীতকালের ক্রিয়া কাকে বলে? উত্তরঃ فعل এর যে রূপ দ্বারা অতীতকালে কোন কাজ হয়েছে বা…

রোযা অবস্থায় টুথপেস্ট, মাজন বা কয়লা দিয়ে দাত মাজার হুকুম কি?

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته মাননীয় মুফতী সাহেব প্রশ্ন: রোযা অবস্থায় দিনের বেলা টুথপেস্ট, টুথ পাউডার, মাজন কিংবা কয়লা দিয়ে দাঁত মাজলে কি রোজা ভেংগে…

Responses

Your email address will not be published. Required fields are marked *